হস্তী বাহিনীর ঘটনা
আবরাহা ছিল ইথিওপিয়ার শাসক কর্তৃক
নিযুক্ত ইয়ামানের গভর্নর। সে
আরবদেরকে কাবা শরিফে হজ্জ করতে
দেখে সানআতে (বর্তমানে ইয়ামানের
রাজধানী) এক বিরাট গির্জা নির্মাণ
করলো যেন আরবরা এ নব নির্মিত
গির্জায় হজ্জ করে। কেননা গোত্রের
এক লোক (আরবের একটা গোত্র) তা শুনার
পর রাতে প্রবেশ করে, গির্জার
দেয়ালগুলোকে পায়খানা ও মলদ্বারা
পঙ্কিল করে দেয়। আবরাহা এ কথা শুনার
পর রাগে ক্ষেপে উঠলো। ৬০ হাজারের
এক বিরাট সেনা বাহিনী নিয়ে
কাবা শরিফ ধ্বংস করার জন্য রওয়ানা
হলো। নিজের জন্য সে সব চেয়ে বড়
হাতিটা পছন্দ করলো। সেনাবাহিনীর
মধ্যে নয়টি হাতি ছিল। মক্কার
নিকটবর্তী হওয়া পর্যন্ত তাঁরা যাত্রা
অব্যাহত রাখলো। তাঁর পর
সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত করে মক্কা
প্রবেশ করায় উদ্ধত হলো কিন্তু হাতি
বসে গেল কোনক্রমেই কাবার দিকে
অগ্রসর করানো গেলনা। যখন তারা
হাতীকে কাবার বিপরীত দিকে
অগ্রসর করাতো দ্রুত সে দিকে অগ্রসর
হতো কিন্তু কাবার দিকে অগ্রসর
করাতে চাইলে বসে পড়তো।
কাবা ঘর ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে মক্কার প্রবেশদ্বারে অপেক্ষা করছে।।
আব্রাহা তার মোবাইল সিংহাসনে বসে হুকুম করলেন,
কাবার মোতওয়াল্লি কে আমার কাছে নিয়ে আসো।।
আ: মোত্তালিব যেতে অস্বীকার করলে আব্রাহার সেনাবাহিনী ওনার উট,দুম্বা অর্থ সম্পদ লুট করে নিয়ে আসে।।
এই খবর আব্দুল মুত্তালিব এর কাছে পৌঁছালে উনি একাই আসেন আব্রাহার সামনে,
বাদশা উনাকে দেখা মাত্র সিংহাসন থেকে নেমে মাটিতে চাদর বিছালেন নিজে বসলেন এবং আব্দুল মুত্তালিব কেউ বসার জন্য আহবান করলেন।।
আব্দুল মুত্তালিব না বসেই আব্রাহা কে বললেন,
আপনার লোকেরা আমার যে মাল-সামান নিয়ে এসেছে তা ফেরত দেন।
আব্রাহা আশ্চর্য হয়ে বললেন,আপনার নাম অনেক শুনেছি আজ আপনার কথা শুনে অবাক হলাম,
আপনার সাথে আলাপ হবে কাবা নিয়ে আর আপনি এসেছেন কতগুলো ছাগল ভেড়ার বিষয়ে কথা বলতে।।
আব্দুল মুত্তালিব এবার বললেন,
ঐ উঠ ভেড়া ছাগলের মালিক আমি তাই আমার মালগুলো ফেরত চাই,
আর ঐ কাবার মালিক অন্য একজন উনিই তার ঘরের ব্যাপারে আপনার সাথে ফয়সালা করবেন।।
এর পর কি হয়েছিল ইতিহাস থেকে আমরা কমবেশি সবায় অবগত।
হস্তী বাহিনীর ঘটনা

আবরাহা ছিল ইথিওপিয়ার শাসক কর্তৃক
নিযুক্ত ইয়ামানের গভর্নর। সে
আরবদেরকে কাবা শরিফে হজ্জ করতে
দেখে সানআতে (বর্তমানে ইয়ামানের
রাজধানী) এক বিরাট গির্জা নির্মাণ
করলো যেন আরবরা এ নব নির্মিত
গির্জায় হজ্জ করে। কেননা গোত্রের
এক লোক (আরবের একটা গোত্র) তা শুনার
পর রাতে প্রবেশ করে, গির্জার
দেয়ালগুলোকে পায়খানা ও মলদ্বারা
পঙ্কিল করে দেয়। আবরাহা এ কথা শুনার
পর রাগে ক্ষেপে উঠলো। ৬০ হাজারের
এক বিরাট সেনা বাহিনী নিয়ে
কাবা শরিফ ধ্বংস করার জন্য রওয়ানা
হলো। নিজের জন্য সে সব চেয়ে বড়
হাতিটা পছন্দ করলো। সেনাবাহিনীর
মধ্যে নয়টি হাতি ছিল। মক্কার
নিকটবর্তী হওয়া পর্যন্ত তাঁরা যাত্রা
অব্যাহত রাখলো। তাঁর পর
সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত করে মক্কা
প্রবেশ করায় উদ্ধত হলো কিন্তু হাতি
বসে গেল কোনক্রমেই কাবার দিকে
অগ্রসর করানো গেলনা। যখন তারা
হাতীকে কাবার বিপরীত দিকে
অগ্রসর করাতো দ্রুত সে দিকে অগ্রসর
হতো কিন্তু কাবার দিকে অগ্রসর
করাতে চাইলে বসে পড়তো।
এমতাবস্থায় আল্লাহ তাদের প্রতি
প্রেরণ করেন ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি যা
তাদের উপর পাথরের টুকরা
নিক্ষেপকরা শুরু করে দিয়েছিল।
অতঃপর তাদরেকে ভক্ষিত ভৃণ সদৃশ করে
দেয়া হয়। প্রত্যেক পাখি তিনটি করে
পাথর বহন করছিল। ১টি পাথর ঠোঁটে আর
দুটি পায়ে। পাথর দেহে পড়ামাত্র
দেহের সব অঙ্গ-প্রতঙ্গ টুকরো টুকরো হয়ে
যেতো। যারা পলায়ন করে তাঁরাও
পথে মৃত্যুর ছোবল থেকে রক্ষা পায়নি।
আবরাহা এমনি একটি রোগে আক্রান্ত
হয় যার ফলে তাঁর সব আঙ্গুল পড়ে যায়
এবং সে সানআয় পাখির ছানার মত
পৌছলো এবং সেখানে মৃত্যু হলো।
কুরাইশরা গিরিপথে বিক্ষিপ্ত হয়ে
গিয়েছিল এবং সেনাবাহিনীর ভয়ে
পর্বতে আশ্রয় নিয়েছিল। আবরাহার
সেনাবাহিনীর এ অশুভ পরিণামের পর
তাঁরা নিরাপদে ঘরে ফিরে আসে।
রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম এর জন্মের ৫০ দিন পূর্বে এ
ঘটনা সংঘটিত হয়।
Comments
Post a Comment