* বেরোজাদারের শাস্তি:-খাইরুল মাজারের গ্রন্থে বর্ণিত আছে-কিয়ামতের ময়দানে একদল লোককে বন্দী অবস্থায় আনিয়া ফেরেস্তাগন এমন লৌহ মুগুর দ্বারা প্রহার করিতে থাকিবে যে, তাহারা যন্ত্রনায় অস্থির হয়ে গাধার মত চিৎকার করতে থাকবে।দয়ার সাগর নূর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে চিৎকার শুনে ব্যথিত অন্তরে ছুটিয়ে গিয়ে ফেরেস্তাদিগকে জিজ্ঞাসা করিবেন,হে আজাবের ফেরেস্তাগন, আমার উম্মাহকে এমন নির্দয়ভাবে কেন প্রহার করিতেছ? ইহারা কি এমন অপরাধ করিয়াছে যে তজ্জন্য এরূপ কঠোর শাস্তি হইতেছে। ফেরেস্তাগন বলিবেন ইহারা জাহেল বদকার ছিল, আল্লাহর আদেশ অমান্য করিতো, এবং রমজান মাসে রোজা না রাখিয়া উদরপূর্ন করিয়া ভোজন করিত। হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহা শুনিয়া তাদের শাফায়াত করিতে ইচ্ছা করিলে, সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা তখন বলিলেন,হে আমার হাবীব,ইহারা আপনার শফায়তের যোগ্য নয়, রমজানের রোজা যে আমার খাছ ইবাদত,আর আমি উহার পালনকারী দিগকে যে খাছ বদলা দিব ইহা উহারা অস্বীকার করেছিল।অতএব ইহারা আপনার শফায়তের যোগ্য পাত্র নয়, আপনি উহাদের জন্য শাফায়াত করিবেন না,তখন নবীজী বললেন সুহকান দুর হও।(মজমুয়ে ওয়াজ শরীফ-২১৭)
* হযরত উসমানগণী কালবের চোখ দিয়ে বালকের দৃষ্টি পথে অবাঞ্চিত স্হানে পরার দৃশ্যটা দেখতে পান: হযরত উসমানগণী রাযি.-এর কাছে একব্যক্তি এল যার দৃষ্টি পথে অবাঞ্চিত স্থানে পড়েছিল। তিনি লোকটির চোখ দেখেই বুঝে ফেললেন। বললেন- مَا بَالُ أَقْوَا مٍ يَتَرَشَّحُ الزِّنَا مِنْ أَعْيُنِهِمْ ‘এজাতির কী হয়ে গেল! তাদের চোখ দিয়ে ব্যভিচার টপকে পড়ছে।’ লোকটি অবাক হয়ে গেল। ( মনে মনে ভাবল,আমি কুদৃষ্টতে পরনারীর দিকে তাকানোর এই ঘটনা কেমন করে জানলো,আল্লাহর পয়গাম্বরগন অহীর মীধ্যমে যানতেন,আল্লাহর নবীতো চলে গেছেন,অহীর দ্বারা বন্ধ হয়ে গেছে,সুতরাং বলে ওঠল, এখনও অহির ধারা অবশিষ্ট আছে? উসমান রাযি. উত্তর দিলেন, না, এটা তো মুমিনের অন্তদৃষ্টি। اِتَّقُوْا فِرَاسَةَ الْمُؤْمِنِ فَاِنَّهُ يَنْظُرُ بِنُوْرِ اللهِ ‘মুমিনের অন্তদৃষ্টিকে ভয় কর। কারণ তিনি আল্লাহর নূর দ্বারা দেখেন।’ কাশফের অধিকারীরা লিখেছেন, কুদৃষ্টির কারণে এমন অন্ধকার সৃষ্টি হয় যে, যা অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন লোকেরা ধরে ফেলেন। পক্ষান্তরে শালীন ও আল্লাহভীরুব্যক্তির চোখে থাকে নূর।
Comments
Post a Comment