*  বেরোজাদারের শাস্তি:-খাইরুল মাজারের গ্রন্থে বর্ণিত আছে-কিয়ামতের ময়দানে একদল লোককে বন্দী অবস্থায় আনিয়া ফেরেস্তাগন এমন লৌহ মুগুর দ্বারা প্রহার করিতে থাকিবে যে, তাহারা যন্ত্রনায় অস্থির হয়ে গাধার মত চিৎকার করতে থাকবে।দয়ার সাগর নূর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে চিৎকার শুনে ব্যথিত অন্তরে ছুটিয়ে গিয়ে ফেরেস্তাদিগকে জিজ্ঞাসা করিবেন,হে আজাবের ফেরেস্তাগন, আমার উম্মাহকে এমন নির্দয়ভাবে কেন প্রহার করিতেছ? ইহারা কি এমন অপরাধ করিয়াছে যে তজ্জন্য এরূপ কঠোর শাস্তি হইতেছে। ফেরেস্তাগন বলিবেন ইহারা জাহেল বদকার ছিল, আল্লাহর আদেশ অমান্য করিতো, এবং রমজান মাসে রোজা না রাখিয়া উদরপূর্ন করিয়া ভোজন করিত। হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহা শুনিয়া তাদের শাফায়াত করিতে ইচ্ছা করিলে, সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা তখন বলিলেন,হে আমার হাবীব,ইহারা আপনার শফায়তের যোগ্য নয়, রমজানের রোজা যে আমার খাছ ইবাদত,আর আমি উহার পালনকারী দিগকে যে খাছ বদলা দিব ইহা উহারা অস্বীকার করেছিল।অতএব ইহারা আপনার শফায়তের যোগ্য পাত্র নয়, আপনি উহাদের জন্য শাফায়াত করিবেন না,তখন নবীজী বললেন সুহকান দুর হও।(মজমুয়ে ওয়াজ শরীফ-২১৭)

Comments

Popular posts from this blog