* রূহের প্রভাব দেহের মধ্যে পড়ার ঘটনা
এক বুযুর্গ তার খানকায় লোকজনের ভিড়ের কারনে নিজের মন মতো ইবাদত বন্দেগী ও জিকির আজকার করতে পারতেন না। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিলেন যে তিনি পাহাড়ের গুহায় গিয়ে একা একা থাকবেন এবং মনের মতো যিকির আযকার করবেন। তিনি এক পাহাড়ের গুহার সন্ধান করলেন। গুহায় প্রবেশ করার আগে মুরীদগনকে বললেন। আমি এই গুহায় প্রবেশ করার পর ঐ পাথরের খন্ডটি তোমরা গড়িয়ে এনে গুহার মুখ বন্ধ করে দিও।যেন কোন লোক আমার কাছে না আসতে পারে।মুরীদগন দেখলো পাথরের খন্ডটি এক মানুষ সমান লম্বা এবং ঐ পরিমানই চওরা। পাথরটি সরাতে কয়েকটি হাতির শক্তির দরকার। কিন্তু সে রকম পোষা হাতী কোথায় পাবে? তাই খানকার সমস্ত মুরীদ মিলে পাথরটিকে ঠেলে গড়িয়ে কোন রকমে এনে গুহার মুখ বন্ধ করে দিল।বুযুর্গ এই বার মনের মতো করে ভিতরে থেকে এবাদত বন্দেগী ও যিকির আযকার করতে লাগলেন। চল্লিশ দিন পর্যন্ত কোন কিছু আহার করলেন না। অবিরাম জিকির আজকার ও মোরাকাবা মুশাহাদা করার পর যখন মন ভরে গেল তখন গুহা থেকে বাহির হতে ইচ্ছে করলেন। কিন্তু গুহার মুখে এমন এক পাথর চাপা দেওয়া ছিল যে ভিতর থেকে ডাকলে বাহিরে শব্দ আসতো না। তিনি কোন কিছুর অপেক্ষা না করে দুই হাতে পাথরকে এমন জোড়ে ধাক্কা দিলেন যে পাথর ছিটকিয়ে একদিকে গিয়ে পড়লো।আর তিনি বাহির হয়ে আসলেন।এই হলো দেহের উপর রুহানি শক্তির প্রভাব
( বয়ান ও খুতবা ১/৩৪১)
Comments
Post a Comment