যাকে তার আমলনামা ডান হতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ নাও, আমার আমলনামা পড়ে দেখো। ৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ১৯,
فَاَمَّا مَنْ اُوْتِیَ كِتٰبَهٗ بِیَمِیْنِهٖ١ۙ فَیَقُوْلُ هَآؤُمُ اقْرَءُوْا كِتٰبِیَهْۚ
সে সময় যাকে তার আমলনামা ডান হতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ নাও, আমার আমলনামা পড়ে দেখো।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ২০,
اِنِّیْ ظَنَنْتُ اَنِّیْ مُلٰقٍ حِسَابِیَهْۚ
আমি জানতাম, আমাকে হিসেবের সম্মুখীন হতে হবে।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ২১,
فَهُوَ فِیْ عِیْشَةٍ رَّاضِیَةٍۙ
তাই সে মনের মত আরাম আয়েশের মধ্যে থাকবে।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ২২,
فِیْ جَنَّةٍ عَالِیَةٍۙ
উন্নত মর্যাদার জান্নাতে।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ২৩,
قُطُوْفُهَا دَانِیَةٌ
যার ফলের গুচ্ছসমূহ নাগালের সীমায় অবনমিত হয়ে থাকবে
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ২৪,
كُلُوْا وَ اشْرَبُوْا هَنِیْٓئًۢا بِمَاۤ اَسْلَفْتُمْ فِی الْاَیَّامِ الْخَالِیَةِ
(এসব লোকদের কে বলা হবেঃ) অতীত দিনগুলোতে তোমরা যা করে এসেছো তার বিনিময়ে তোমরা তৃপ্তির সাথে খাও এবং পান করো।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ২৫,
وَ اَمَّا مَنْ اُوْتِیَ كِتٰبَهٗ بِشِمَالِهٖ١ۙ۬ فَیَقُوْلُ یٰلَیْتَنِیْ لَمْ اُوْتَ كِتٰبِیَهْۚ
আর যার আমলনামা তার বাঁ হাতে দেয়া হবে সে বলবেঃ হায়! আমার আমলনামা যদি আমাকে আদৌ দেয়া না হতো
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ২৬,
وَ لَمْ اَدْرِ مَا حِسَابِیَهْۚ
এবং আমার হিসেব যদি আমি আদৌ না জানতাম তাহলে কতই না ভাল হত।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ২৭,
یٰلَیْتَهَا كَانَتِ الْقَاضِیَةَۚ
হায়! আমার সেই মৃত্যুই (যা দুনিয়াতে এসেছিলো) যদি চূড়ান্ত হতো।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ২৮,
مَاۤ اَغْنٰى عَنِّیْ مَالِیَهْۚ
আজ আমার অর্থ-সম্পদ কোন কাজে আসলো না।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ২৯,
هَلَكَ عَنِّیْ سُلْطٰنِیَهْۚ
আমার সব ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি বিনাশ প্রাপ্ত হয়েছে।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৩০,
خُذُوْهُ فَغُلُّوْهُۙ
(আদেশ দেয়া হবে) পাকড়াও করো ওকে আর ওর গলায় বেড়ি পরিয়ে দাও।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৩১,
ثُمَّ الْجَحِیْمَ صَلُّوْهُۙ
তারপর জাহান্নামে নিক্ষেপ করো।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৩২,
ثُمَّ فِیْ سِلْسِلَةٍ ذَرْعُهَا سَبْعُوْنَ ذِرَاعًا فَاسْلُكُوْهُؕ
এবং সত্তর হাত লম্বা শিকল দিয়ে বেঁধে ফেলো।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৩৩,
اِنَّهٗ كَانَ لَا یُؤْمِنُ بِاللّٰهِ الْعَظِیْمِۙ
সে মহান আল্লাহর প্রতি ঈমান পোষণ করতো না
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৩৪,
وَ لَا یَحُضُّ عَلٰى طَعَامِ الْمِسْكِیْنِؕ
এবং দুস্থ মানুষের খাদ্য দিতে উৎসাহিত করতো না।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৩৫,
فَلَیْسَ لَهُ الْیَوْمَ هٰهُنَا حَمِیْمٌۙ
তাই আজকে এখানে তার সমব্যথী কোন বন্ধু নেই।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৩৬,
وَّ لَا طَعَامٌ اِلَّا مِنْ غِسْلِیْنٍۙ
আর কোন খাদ্যও নেই ক্ষত নিঃসৃত পুঁজ-রক্ত ছাড়া।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৩৭,
لَّا یَاْكُلُهٗۤ اِلَّا الْخَاطِئُوْنَ۠
যা পাপীরা ছাড়া আর কেউ খাবে না।
* যদি এ নবী নিজে কোন কথা বানিয়ে আমার কথা বলে চালিয়ে দিতো ৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৪৪,
وَ لَوْ تَقَوَّلَ عَلَیْنَا بَعْضَ الْاَقَاوِیْلِۙ
যদি এ নবী নিজে কোন কথা বানিয়ে আমার কথা বলে চালিয়ে দিতো
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৪৫,
لَاَخَذْنَا مِنْهُ بِالْیَمِیْنِۙ
তাহলে আমি তার ডান হাত ধরে ফেলতাম
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৪৬,
ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ الْوَتِیْنَ٘ۖ
এবং ঘাড়ের রগ কেটে দিতাম।
৬৯: আল-হাক্বাহ্,:আয়াত: ৪৭,
فَمَا مِنْكُمْ مِّنْ اَحَدٍ عَنْهُ حٰجِزِیْنَ
তোমাদের কেউ-ই (আমাকে) এ কাজ থেকে বিরত রাখতে পারতো না।
Comments
Post a Comment