*  আমরাতো মৃত্যুর সময় পরহেজগারী সাজী

একজন নারী মৃত্যু বরণ করেছে।

লাশ কাপড় দিয়ে ঢেকে খাটনির উপর রাখা হয়েছে। লাশের পাশে দাড়িয়ে একজন পুরুষ বলতেছে, আমি মৃত ব্যক্তিকে দেখতে চাই।


তখনি সকল নারী-পুরুষ বলো উঠলো, মৃত নারীর লাশ দেখা পর-পুরুষের জন্য জায়েজ না,  এটা সম্পূর্ণ হারাম।


অথচ ঐ পুরুষটার সাথে সে নারী জীবিত থাকাকালীন খোলামেলা ভাবে চলতো। হাসি ঠাট্টায় মত্ত থাকতো,  সব পুরুষের সামনে নিজের সৌন্দর্য প্রকাশ করত।  ফ্রি-মিক্সিং ছিল তার জন্য খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। মানে ফ্রেন্ডলি। 


আচ্ছা বোনেরা বলেন তো যদি মৃত নারীকে দেখা হারাম হয় তাহলে জীবিত নারীকে দেখা কি হবে...??


আমি কিছুক্ষণ অবাক দৃষ্টিতে তাকালাম,যে নারীকে মৃত্যুর পর পাঁচ কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। যেন পর-পুরুষের দৃষ্টি না পরে।


অথচ, সেই নারী জীবিত অবস্থায় ছিলো বেপর্দা৷ এই নারীর পোশাক-আশাক আর শরীরের গঠন দেখে রাস্তার মানুষ মজা নিতো। আর মরার পর তাকে এখন পর্দা করানো হচ্ছে। 


বাহ...... সত্যি এটাই যে আমরা বেঁচে থাকতে পর্দা করি না। পর্দা করি মরার পরে, যে পর্দা কোনো ফায়দা বা কোনো লাভ নেই।


আমাদের হিসাব হবে বেঁচে থাকাকালীন আমরা জীবন কীভাবে পরিবাহিত করছি। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে পর্দায় আবৃত করছি কি না??


খারাপ রাস্তায় মানুষের খোরাক হিসেবে আকর্ষনীয় ভাবে নিজেকে প্রদর্শন করে বেরাইছি। তাই অনুরোধ করছি বোন  আমার...!! 


শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বেপর্দায় চলবেন না। জীবিত অবস্থায় আল্লাহর সন্তুষ্টির লাভের চেষ্টা করুন। ফিরে আসুন রবের নিকট।


আল্লাহ আপনার সহায় হবেন। 

আল্লাহ আমাদের সবাইকে বোঝার তাওফিক দান করুক। আমিন ইয়া রাব্বুল আলামিন।

Comments