হামিদ ইবনে বেলাল বর্ণনা করেন হযরত হাফসা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা, অনেক সময় সন্ধ্যাকালে হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর নিকট অবস্থান করতেন, যখন খাবার পেশ করা হতো তখন হযরত হাফসা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা খেতে অস্বীকৃতি জানাতেন, একদিন হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার কি হয়েছে তুমি আমার সঙ্গে খেতে চাও না কেন? তিনি জবাব দিলেন, আমিরুল মুমিনিন, আমার বাড়িতে যে খাবার তৈরি করা হয়, তা এ খাবারের চেয়ে মুলায়েম ও সু সাধু সেজন্য আমি ওই খাবার পছন্দ করি, তখন হযরত ওমর রাজেলা তালা আনহু বললেন, তোমার জন্য  মা ক্রন্দন করুক, তুমি কি জানো না আমি ইচ্ছা করলে একটি মোটাতাজা বকরি যবে কোরিয়া ভুনা করার ব্যবস্থা করতে পারি, ময়দার রুটি তৈরি করতে পারি এবং কিসমিস মনাক্কা প্রভৃতির ব্যবস্থা করতে পারি, কিন্তু শপথ সে আল্লাহ পাকের যার হাতে আমার প্রাণ, যদি কেয়ামতের দিন আমার নেকি সমূহ কম হওয়া আমার পছন্দনীয় না হতো, তবে আমি তোমাদের জন্য সুস্বাদু খাবার একত্রিত করতাম অর্থাৎ নিজেও তেমন খাবার গ্রহণ করতাম এবং তোমাদেরকেও খেতে দিতাম নূরুল কোরআন 26 পৃষ্ঠা 54 


*  একদিন হযরত ওমর রাজেলা তালা আনহু পান করার জন্য পানি চাইলেন, তাকে পানি দেওয়া হল, তাতে মধুর মিশ্রণ ছিল অর্থাৎ মধুর শরবত ছিলো, তখন হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বললেন, নিঃসন্দেহে এটি পবিত্র, কিন্তু আমি শুনেছি যারা পৃথিবীতে তাদের সকল আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করেছে, তাদের জন্য আল্লাহ পাক আখেরাতের নেয়ামত নিষিদ্ধ করেছেন, কতবড় কথা তিনি আলোচ্য আয়াত পড়ে শোনান আহক্বাফ,:আয়াত: ২০

 أَذْهَبْتُمْ طَيِّبَاتِكُمْ فِي حَيَاتِكُمُ الدُّنْيَا


যার অর্থ আমার ভয় হয়  আল্লাহ পাক আমাদেরআমাদের নেক আমলের বদলা পৃথিবীতেই দিয়ে না দেন পরে হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু, ওই শরবত পান করেন নি, তাফসীরে নূরুল কোরআন 26 খন্ড পৃষ্ঠা 53

Comments

Popular posts from this blog