নামায হলো গুনাহ মাফের উপকরণ,হজরত আবু যর গিফারি রা: বর্ণনা করেন যে, নবি সা: এক সময় শীতকালে বাইরে (কোথায়) তাশরিফ আনলেন। তখন গাছের পাথা ঝরার মওসুম ছিল وَعَنْ أَبِيْ ذَرٍّ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ خَرَجَ زَمَنَ الشِّتَاءِ وَالْوَرَقُ يَتَهَافَتُ فَأَخَذَ بِغُصْنَيْنِ مِنْ شَجَرَةٍ قَالَ فَجَعَلَ ذلِكَ الْوَرَقُ يَتَهَافَتُ قَالَ فَقَالَ يَا أَبَا ذَرٍّ قُلْتُ لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللهِ قَالَ إِنَّ الْعَبْدَ الْمُسْلِمَ لَيُصَلِّ الصَّلَاةَ يُرِيدُ بِهَا وَجْهَ اللهِ فَتَهَافَتُ عَنْهُ ذُنُوبُه كَمَا تَهَافَتُ هذَا الْوَرَقُ عَنْ هَذِهِ الشَّجَرَةِ. رَوَاهُ أَحْمَد আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ: তিনি বলেন, এক শীতের সময়ে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন, আর তখন গাছের পাতা ঝরে পড়ছিল । তিনি একটি গাছের দু’টি ডাল ধরে নাড়া দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তাতে গাছের পাতা ঝরতে লাগল। আবূ যার (রহঃ) বলেন, তখন তিনি আমাকে ডাকলেন, হে আবূ যার! উত্তরে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল ! আমি উপস্থিত। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহর কোন মুসলিম বান্দা যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির বিধানের জন্য খালিস মনে সলাতে আদায় করে, আর...
Posts
- Get link
- X
- Other Apps
* সাদ্দাদ এতো বড় বাদশাহী হয়েও শেষ পরিণতি কি হয়েছিল আপনাদের সবারই কমবেশি জানা আছে ঘটনাটি ছিল এমন বাদশাহ সাদ্দাদের তৈরি করা দুনিয়ার বেহেশতের কাহিনি.......... . ক্ষমতাবান বাদশাহ শাদ্দাদ, হযরত হুদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উনার দাওয়াতে ইসলাম ধর্ম গ্রহন না করে, বরং হযরত হুদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মুখে পরকালের বেহেশতের বর্ননা শুনে, শাদ্দাদ বলল, তোমার আল্লাহর বেহেশত আমার প্রয়োজন নেই। বেহেশতের যে নিয়ামত ও সুখ-শান্তির বিবরণ তুমি দিলে, অমন বেহেশত আমি নিজে এই পৃথিবীতেই বানিয়ে নিব। তুমি দেখে নিও। তারপর সাদ্দাদ দুনিয়াতে বেহেশত নির্মান করার জন্য প্রস্তুতি নিল । অবশেষে ইয়ামানের একটি শস্য শ্যামল অঞ্চলে প্রায় একশ চল্লিশ বর্গ মাইল এলাকার একটি জায়গা নির্বাচন করা হল। বেহেশত নির্মাণের জন্য প্রায় তিন হাজার সুদক্ষ কারিগর কে নিয়োগ করা হল। নির্মান কাজ শুরু হয়ে গেলে শাদ্দাদ তার অধীনস্থ প্রজাদের জানিয়ে দিল যে, কারো নিকট কোন সোনা রূপা থাকলে সে যেন তা গোপন না করে এবং অবিলম্বে তা রাজ দরবারে পাঠিয়ে দেয়। . এ ব্যাপারে তল্লাশী চালানো হয় সারাটি রাজ্যে। কারো কাছে এক কণা পরিমাণ সোনা-রূপা পেলেও তা কেড়ে নিতে ল...
- Get link
- X
- Other Apps
* রাসূল (সা:) মসজিদে গেলেন। এ সময় একটি লোক এসে নামায আদায় করল। (নামায শেষ করে) সে এসে নবী (সা:)-কে সালাম করল। তিনি সালামের উত্তর দিয়ে তাকে বললেনঃ তুমি আবার গিয়ে নামায আদায় করে এসো, তোমার নামায হয়নি। এভাবে সে তিনবার নামায আদায় করল। জামে' আত-তিরমিজি,৩০৩ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَدَخَلَ رَجُلٌ فَصَلَّى ثُمَّ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَرَدَّ عَلَيْهِ السَّلاَمَ فَقَالَ " ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ " . فَرَجَعَ الرَّجُلُ فَصَلَّى كَمَا كَانَ صَلَّى ثُمَّ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَلَّمَ عَلَيْهِ فَرَدَّ عَلَيْهِ السَّلاَمَ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ " . حَتَّى فَعَلَ ذَلِكَ ثَلاَثَ مِرَارٍ فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا أُحْسِنُ غَيْرَ هَذَا فَعَلِّمْنِي . فَقَالَ " إِذَا قُمْتَ إِلَى الصَّلاَةِ فَكَبِّرْ ثُمَّ اقْرَأْ بِمَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِ...
- Get link
- X
- Other Apps
মুসা আঃ আল্লাহকে প্রশ্ন করেন।হে আল্লাহ তুমি কি ঘুমাওনি সমস্ত সৃষ্টি জগতের সৃষ্টি কর্তা মহান প্রভূ এক মাত্র আল্লাহ সুবহানাতা'য়ালা । তিনি সব সময় জাগ্রত থাকেন । উনার ঘুমের প্রয়োজন হয় না । একবার হযরত মূসা (আঃ) এর কৈাতূহল হলো এবং আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেন , হে মা-বুদ আপনি কখন ঘুমান ? আল্লাহপাক উত্তর দিলেন - তিনি ঘুমান না । ঘুমের প্রয়োজন হয় না । তখন মূসা (আঃ) এর কাছে বিষয়টি খুব আশ্চর্য্য মনে হলো । বিষয়টা হজম করতে মনে হচ্ছিল ওনার কষ্ট হচ্ছিল । কারণ, উনি সৃষ্টি জগতের দিকে তাকিয়ে দেখেন - ঘুম ছাড়া কোন প্রানী-ই বাচেনা । মানুষ তো ঘুম ছাড়া এক-দুই দিন-ই টিকতে পারেনা । মহান রাব্বূল আলামিন মূসা (আঃ) এর মনের অবস্হা বুঝে বললেন, আচ্ছা তুমি এক কাজ করো । তুমি তোমার দুই হাতে দুই গ্লাস ভর্তি পানি নিয়ে দাড়িয়ে থাক । দেখি কত ক্ষণ থাকতে পারো । মূসা (আঃ) মনে মনে বললেন, এ আর এমন কি কাজ । তিনি গ্লাস হাতে নিয়ে দাড়িয়ে থাকলেন । ঘন্টার পর ঘন্টা যায় । তিনি গ্লাস ধরে দাড়িয়ে আছেন । মাঝে মাঝে ঝিমুনি আসছে, কিন্তু তিনি মনে মনে জিদ করেছেন যে, না কোন ভাবেই অসতর্ক হওয়া যাবেনা । তিনি শক্তভাবে গ্লাস গুলো চেপে ধরে থাকছেন । কিন্...
- Get link
- X
- Other Apps
* এক নাস্তিক আল্লাহ মানবে দুরের কথা কয় আল্লাহ বলতে কিছুই নাই, ইমাম আবু হানিফা রহ: সাথে নাস্তিকের বাহাস ইমাম আবু হানিফা ও নাস্তিক একবার খলিফা হারুনুর রশীদের নিকট এক নাস্তিক এসে বললেন যে আপনার সাম্রাজ্যে এমন কোন জ্ঞানী ব্যক্তিকে ডাকুন আমি তাকে তর্ক করে প্রমান করে দেব যে এই পৃথীবির কোন স্রস্টা নেই। এগুলো নিজে নিজে সৃস্টি হয়েছে এবং আপনা থেকেই চলে । খলিফা হারুনুর রশীদের কিছুক্ষন ভেবে একটি চিরকুট মারাফত ইমাম আবু হানিফাকে ডাকলেন ও এই নাস্তিকের সাথে বিতর্কে অংশ নিতে অনুরোধ করলেন। ইমাম আবু হানিফা দুত মারাফত খবর পাঠালেন যে তিনি আগামীকাল যোহরের সময় আসবেন খলিফার প্রাসাদে নামায পড়ে তারপর বির্তকে অংশ নেবেনপরদিন যোহরের নামাযের সময় খলিফা তার সভাসদ বর্গ ও নাস্তিক তি অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু যোহরের নামায তো দুরের কথা আসর শেয় হয়ে গেল তিনি মাগরীবের নামাযের সময় আসলেন। নাস্তিকটি তার কাছে এত দেরীতে আসার কারন জনতে চাইল তিনি বললেন আমি দজলা নদীর ওপারে বাস করি।আমি খলীফার দাওয়াত পেয়ে নদীতে এসে দেখি কোন নৌকা নেই। অনেকক্ষন অপেক্ষা করেও কোন নৌকা পেলাম না। সহসা আমি দেখলাম একটি গাছ আপনা-আপনা উপরে পড়ল্...
- Get link
- X
- Other Apps
একাধিক স্রষ্টা হলে সৃষ্টিতে সৌন্দর্যের বিঘ্ন গঠত, একজন বলতো আজকে সৃর্য পশ্চিম দিক থেকে উঠুক। আল আম্বিয়া-২২ لَوْ كَانَ فِيهِمَا آلِهَةٌ إِلَّا اللَّهُ لَفَسَدَتَا ۚ فَسُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ عَمَّا يَصِفُونَ শব্দার্থ: لَوْ = যদি, كَانَ = হতো, فِيهِمَا = তাদের উভয়েরমধ্যে, آلِهَةٌ = (আরোঅনেক) ইলাহ, إِلَّا = ছাড়া, اللَّهُ = আল্লাহ, لَفَسَدَتَا = অবশ্যই উভয়ইধ্বংসহতো, فَسُبْحَانَ = অতএব পবিত্র , اللَّهِ = আল্লাহ্, رَبِّ = রব, الْعَرْشِ = আরশের, عَمَّا = তাহতে যা, يَصِفُونَ = তারা বর্ণনা করে, অনুবাদ: যদি আকাশে ও পৃথিবীতে এক আল্লাহ ছাড়া দ্বিতীয় কোন ইলাহ হতো তাহলে (পৃথিবী ও আকাশ) উভয়ের ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যেতো। কাজেই এরা যেসব কথা বলে বেড়াচ্ছে আরশের রব আল্লাহ তা থেকে পাক-পবিত্র।
- Get link
- X
- Other Apps
* সৃষ্টিকর্তা হলেন একজন। সৃষ্টিকর্তা একের অধিক হলে সৃষ্টি জগত পরিচালনায় বিরাট পার্থক্য থাকত,আল্লাহর সৃষ্টির এই নৈপুণ্যের মধ্যে কোনো স্পট নেই। সূরা মুলক-৩-৪ একদা এক দরবেশ বট গাছের নিছে শুয়ে আছেন। দরবেশ ভাবতে লাগলেন,বট গাছের তুলনায় ফলটি একেবারে ছোট الَّذِیْ خَلَقَ سَبْعَ سَمٰوٰتٍ طِبَاقًا١ؕ مَا تَرٰى فِیْ خَلْقِ الرَّحْمٰنِ مِنْ تَفٰوُتٍ١ؕ فَارْجِعِ الْبَصَرَ١ۙ هَلْ تَرٰى مِنْ فُطُوْرٍ শব্দার্থ: الَّذِي = তিনি ই, خَلَقَ = সৃষ্টি করেছেন , سَبْعَ = সাত, سَمَاوَاتٍ = আকাশ, طِبَاقًا = স্তরেস্তরে, مَا = না, تَرَىٰ = দেখতেপাবে, فِي = মধ্যে, خَلْقِ = সৃষ্টি র, الرَّحْمَٰنِ = দয়াবানের, مِنْ = কোন, تَفَاوُتٍ = অসঙ্গতি, فَارْجِعِ = অতএব ফিরাও, الْبَصَرَ = দৃষ্টিশক্তি, هَلْ = কি, تَرَىٰ = দেখতেপাও, مِنْ = কোন, فُطُورٍ = ত্রুটি, অনুবাদ: তিনিই স্তরে স্তরে সাজিয়ে সাতটি আসমান তৈরী করেছেন। তুমি রহমানের সৃষ্টকর্মে কোন প্রকার অসঙ্গতি দেখতে পাবে না। আবার চোখ ফিরিয়ে দেখ, কোন ত্রুটি দেখতে পাচ্ছ...