মোমেনের গুন হলো, গীবত তথা বাজে কথা বলবেও না শুনবেও না,২৩: আল-মু’মিনূন:৩,
وَ الَّذِیْنَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُوْنَۙl
Get link
Facebook
X
Pinterest
Email
Other Apps
Comments
Popular posts from this blog
* হযরত উসমানগণী কালবের চোখ দিয়ে বালকের দৃষ্টি পথে অবাঞ্চিত স্হানে পরার দৃশ্যটা দেখতে পান: হযরত উসমানগণী রাযি.-এর কাছে একব্যক্তি এল যার দৃষ্টি পথে অবাঞ্চিত স্থানে পড়েছিল। তিনি লোকটির চোখ দেখেই বুঝে ফেললেন। বললেন- مَا بَالُ أَقْوَا مٍ يَتَرَشَّحُ الزِّنَا مِنْ أَعْيُنِهِمْ ‘এজাতির কী হয়ে গেল! তাদের চোখ দিয়ে ব্যভিচার টপকে পড়ছে।’ লোকটি অবাক হয়ে গেল। ( মনে মনে ভাবল,আমি কুদৃষ্টতে পরনারীর দিকে তাকানোর এই ঘটনা কেমন করে জানলো,আল্লাহর পয়গাম্বরগন অহীর মীধ্যমে যানতেন,আল্লাহর নবীতো চলে গেছেন,অহীর দ্বারা বন্ধ হয়ে গেছে,সুতরাং বলে ওঠল, এখনও অহির ধারা অবশিষ্ট আছে? উসমান রাযি. উত্তর দিলেন, না, এটা তো মুমিনের অন্তদৃষ্টি। اِتَّقُوْا فِرَاسَةَ الْمُؤْمِنِ فَاِنَّهُ يَنْظُرُ بِنُوْرِ اللهِ ‘মুমিনের অন্তদৃষ্টিকে ভয় কর। কারণ তিনি আল্লাহর নূর দ্বারা দেখেন।’ কাশফের অধিকারীরা লিখেছেন, কুদৃষ্টির কারণে এমন অন্ধকার সৃষ্টি হয় যে, যা অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন লোকেরা ধরে ফেলেন। পক্ষান্তরে শালীন ও আল্লাহভীরুব্যক্তির চোখে থাকে নূর।
★ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত মুফাচ্ছির, দার্শনিক ও বিখ্যাত আলেম। তাঁর মৃত্যুর বিছানায় শয়নকালীন সময়ে শয়তান এসে তাকে জিজ্ঞাস করল, ‘আল্লাহ’ যে এক তার প্রমাণ কি? তখন তিনি আল্লাহর একত্ববাদের উপর শয়তানের মোকাবেলায় মোট ৩৬০টি দলিল উপস্থাপন করলেন, শয়তানের কাছে তার সব দলিলই হেরে গেল। আর একটি দলিমাত্র বাকী। শয়তান যদি এটাকেও হারিয়ে দিতে পারে, তাহলে ইমাম রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহির মত আলেমকে ইহজগত থেকে ঈমান হারা হয়ে বিদায় নিতে হবে।এদিকে তার পীর হযরত নজমুদ্দীন কোবরা রহমতুল্লাহি আলাইহি সে সময় নামাযের জন্য ওযু করছিলেন। পরিশেষে ইমাম রাযীর এ দুরবস্তা দেখে তাঁর নিকট জালালীয়াত এসে গেল। তখন তিনি ওযু রত ছিলেন, এতাবস্থায় তিনি ওযুর বদ্না শয়তানের দিকে নিক্ষেপ করে উচ্চস্বরে বলে উঠলেন,হে ইমাম রাযী! তুমি শয়তানকে বলে দাও, আমি অন্তর দিয়ে আল্লাহকে এক স্বীকার করছি। আমার নিকট দলিলের কোন প্রয়োজন নেই। “বিনা দলিলে আল্লাহ্ এক”। আল্লাহর অলীর ক্ষমতার মাধ্যমে,নিক্ষিপ্ত ঐ বদ্না তাঁর আস্তানা থেকে কয়েক’শ মাইল দূরে ইমাম রাযীর মৃত্যু শয্যায় তাঁর মাথার পাশে গিয়ে পড়ল। তিনি স্বীয় মোর্শেদের...
ঘটনাটি - হজরত শায়খ আহমদ রেফয়ী ( রঃ ) ৫৫৫ হিজরী সনে হজ্জ সমাপন করিয়া নবীজির রওজা জিয়ারতের জন্য মদিনায় হাজির হন । সেখানে তিনি নিম্নোক্ত রওজার সামনে দাঁড়াইয়া নিম্নোক্ত দুটি বয়াত পড়েন । দূরে থাকা অবস্থায় আমি আমার রুহকে হুজুর সাঃ এর খেদমতে পাঠাইয়া দিতাম । সে ( রুহ ) আমার নায়েব হইয়া আস্তানা শরীফে চুম্বন করিত । আজ আমি শ্বশরীরে দরবারে হাজির হইয়াছি । কাজেই হুজুর আপন হস্ত বাড়াইয়া দেন যেন আমার ঠোট উহাকে চুম্বন করিয়া তৃপ্তি হাসিল করে । বয়াত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কবর হইতে হাত মোবারক বাহির হইয়া আসে এবং হযরত রেফায়ী উহাকে চুম্বন করিয়া তৃপ্তি হাসিল করেন । রাসূল ( সাঃ ) -এর সাথে তাঁর ছিল প্রেমের সম্পর্ক । একথা বলার পর রওযা শরীফ থেকে রাসুলের হাত উঠে আসে , তিনি সেই মোবারক হাতের সাথে মোসাফাহা করেছেন এবং চুমু দিয়েছেন । এর পরে সাথে সাথে মনে করেছেন এখন এই দরবারের সমস্ত মানুষ আমাকে বড় বুযুর্গ মনে করবে , আমার মনে অহংকার এসে যাবে , তাই সাথে সাথে তিনি মসজিদের দরজার উপরে শুয়ে পড়েন এবং বলতে থাকেন আমার ভিতরে অহংকার এসে গেছে , আপনাদের কাছে অনুরোধ আপনারা সবাই আমার উপর পাড়া দিয়ে পার হ...
Comments
Post a Comment