* শ্রেষ্টতম আমানতদার ছিলেন মুহাম্মদ সা, হিজরতের সময় নবীজি আমানতের মাল হযরত আলী রা,কে বুঝিয়ে দিয়েছেন,আমানত রক্ষা করা,কাফিরগণ যখন আমাদের নূর নবীর উপর অকথ্য অত্যাচার উৎপীড়নে তৎপর, এমন কি শত্রুগণ যখন তাঁহাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তখন সতরজন বিশিষ্ট পাহলোয়ান তরবারি হস্তে তাঁহার গৃহ পরিবেষ্টন করিয়া রাখিয়াছিল। আল্লাহর অপার মহিমা! ঐ রাত্রেই আল্লাহ তায়ালার হুকুম হইল- মক্কা হইতে মদীনায় হিজরত করিতে। তিনি আল্লাহর হুকুম পালনে বিলম্ব করিলেন না, করিতেও পারেন না। কাফিরদের অনেক টাকা-পয়সা তাঁহার নিকট আমানত ছিল। তিনি বালক আলীকে বলিলেন, প্রিয় বৎস! এই রাত্রে আমার বিছানায় শুইয়া থাকিবে। প্রাতে যাহার যে আমানত আছে, তাহা তাঁহাকে দিয়া দিবে। পারিবে তো? হযরত আলী নির্ভীক চিত্তে বলিলেন, আল্লাহ চাহেন ত পারিব। হযরত আলী (রাঃ) হযরতের বিছানায় চাদর মুড়ি দিয়া শুইয়া পড়িলেন। এইদিকে হযরত (সাঃ) শত্রুর বেড়াজাল ভেদ করিয়া গৃহ হইতে বাহির হইয়া গেলেন। তাঁহারা বিন্দুমাত্রও টের পাইল না। প্রত্যুষে কাফির দল গৃহে প্রবেশ করিয়া ফেলে। তাহারা চাদর আবৃত আলী (রাঃ) কে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) মনে করিয়া কেহ কেহ বলিল, এক কোপেই শেষ করিয়া...
Posts
- Get link
- X
- Other Apps
* প্রকৃত আমানতদারদের আল্লাহপাক সুসংবাদ দিয়েছেন। চারটি গুনের অধিকারী মানুষ,সম্মানের সাথে জান্নাতের বাগানসমূহে অবস্থান করবে। ৭০:-মাআরিজ:৩২ وَ الَّذِیْنَ هُمْ لِاَمٰنٰتِهِمْ وَ عَهْدِهِمْ رٰعُوْنَ যারা আমানত রক্ষা করে ও প্রতিশ্রুতি পালন করে। ৭০: আল-মাআরিজ,:আয়াত: ৩৩, وَ الَّذِیْنَ هُمْ بِشَهٰدٰتِهِمْ قَآئِمُوْنَ আর যারা সাক্ষ্য দানের ক্ষেত্রে সততার ওপর অটল থাকে। ৭০: আল-মাআরিজ,:আয়াত: ৩৪, وَ الَّذِیْنَ هُمْ عَلٰى صَلَاتِهِمْ یُحَافِظُوْنَؕ যারা নামাযের হিফাযত করে। ৭০: আল-মাআরিজ,:আয়াত: ৩৫, أُولَٰئِكَ فِیْ جَنّٰتٍ مُّكْرَمُوْنَ এসব লোক সম্মানের সাথে জান্নাতের বাগানসমূহে অবস্থান করবে।
- Get link
- X
- Other Apps
* আবু জাহেল ছিল আমানতের খিয়ানতকারী,কাজী আবুল হাসান আল মাওয়ারদী তাঁর “আলামূন নুবুওয়াহ” কিতাবে একটি অদ্ভূত ঘটনা বর্ণনা করেছেন। ঘটনাটি হচ্ছেঃ আবু জেহেল ছিল একটি এতিম ছেলের অভিভাবক। ছেলেটি একদিন তার কাছে এলো। তার গায়ে এক টুকরা কাপড়ও ছিল না। সে কাকুতি মিনতি করে তার বাপের পরিত্যক্ত সম্পদ থেকে তাকে কিছু দিতে বললো। কিন্তু জালেম আবু জেহেল তার কথায় কানই দিল না। সে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর শেষে নিরাশ হয়ে ফিরে গেলো। কুরাইশ সরদাররা দুষ্টুমি করে বললো, “যা মুহাম্মাদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে চলে যা। সেখানে গিয়ে তাঁর কাছে নালিশ কর। সে আবু জেহেলের কাছে সুপারিশ করে তোর সম্পদ তোকে দেবার ব্যবস্থা করবে।” ছেলেটি জানতো না আবু জেহেলের সাথে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কি সম্পর্ক এবং এ শয়তানরা তাকে কেন এ পরামর্শ দিচ্ছে। সে সোজা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে পৌঁছে গেলো এবং নিজের অবস্থা তাঁর কাছে বর্ণনা করলো। তার ঘটনা শুনে নবী (সা.) তখনই দাঁড়িয়ে গেলেন এবং তাকে সঙ্গে নিয়ে নিজের নিকৃষ্টতম শত্রু আবু জেহেলের কাছে চলে গেলেন। তাঁকে দেখে আবু জেহেল তাঁকে অভ্যর্থনা ...
- Get link
- X
- Other Apps
* অহংকারের পরিনীতি জাহান্নাম,যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।সহিহ মুসলিম,১৬৮:সহিহ হাদিস وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبَانَ بْنِ تَغْلِبَ، عَنْ فُضَيْلٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ،عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ مَنْ كَانَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ مِنْ كِبْرٍ " . ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (ই.ফা. ১৬৯; ই.সে. ১৭৫) সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৬৮ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
- Get link
- X
- Other Apps
* নাফরমানদের ধনরাশী,এসব তো আমি এদেরকে পরীক্ষার মুখোমুখি করার জন্য দিয়েছি,২০: ত্ব-হা,:আয়াত: ১৩১ وَ لَا تَمُدَّنَّ عَیْنَیْكَ اِلٰى مَا مَتَّعْنَا بِهٖۤ اَزْوَاجًا مِّنْهُمْ زَهْرَةَ الْحَیٰوةِ الدُّنْیَا لِنَفْتِنَهُمْ فِیْهِؕ وَ رِزْقُ رَبِّكَ خَیْرٌ وَّ اَبْقٰى আর চোখ তুলেও তাকাবে না দুনিয়াবী জীবনের শান-শওকতের দিকে, যা আমি এদের মধ্য থেকে বিভিন্ন ধরনের লোকদেরকে দিয়ে রেখেছি। এসব তো আমি এদেরকে পরীক্ষার মুখোমুখি করার জন্য দিয়েছি এবং তোমার রবের দেয়া হালাল রিযিকই উত্তম ও অধিকতর স্থায়ী। সুরা: null আয়াত নং :-131 টিকা নং:113, وَ لَا تَمُدَّنَّ عَیْنَیْكَ اِلٰى مَا مَتَّعْنَا بِهٖۤ اَزْوَاجًا مِّنْهُمْ زَهْرَةَ الْحَیٰوةِ الدُّنْیَا لِنَفْتِنَهُمْ فِیْهِؕ وَ رِزْقُ رَبِّكَ خَیْرٌ وَّ اَبْقٰى আর চোখ তুলেও তাকাবে না দুনিয়াবী জীবনের শান-শওকতের দিকে, যা আমি এদের মধ্য থেকে বিভিন্ন ধরনের লোকদেরকে দিয়ে রেখেছি। এসব তো আমি এদেরকে পরীক্ষার মুখোমুখি করার জন্য দিয়েছি এবং তোমার রবের দেয়া হালাল রিযিকই১১৩ উত্তম ও অধিকতর স্থায়ী। তাফসীর : টিকা:১১৩) “রিযক” শব্দের অনুবাদ আ...
- Get link
- X
- Other Apps
* ফেরাউনকে আল্লাহ কত যে ক্ষমতা দিয়েছিলেন-যুখরুফ-৫১ وَنَادَىٰ فِرْعَوْنُ فِي قَوْمِهِ قَالَ يَا قَوْمِ أَلَيْسَ لِي مُلْكُ مِصْرَ وَهَـٰذِهِ الْأَنْهَارُ تَجْرِي مِن تَحْتِي ۖ أَفَلَا تُبْصِرُونَ (আয্-যুখরুফ - ৫১) ফেরাউন তার সম্প্রদায়কে ডেকে বলল, হে আমার কওম, আমি কি মিসরের অধিপতি নই? এই নদী গুলো আমার নিম্নদেশে প্রবাহিত হয়, তোমরা কি দেখ না? تَحْتِي--আমার অধীনে,, আমার নিম্নদেশে * একবার অনাবৃষ্টির জন্য দেশে দারুণ অজন্মা হয়েছিলো। এমন কি নীলনদের পানি পর্যন্ত শুকিয়ে গিয়েছিলো। প্রজারা সুযোগ মতো বাদশাহকে বললোঃ জাঁহাপনা আপনি যদি খোদা হন, তবে আপনি খোদার মতো ক্ষমতা আমাদের একবার দেখান।এবার বৃষ্টির অভাবে নীলনদ পর্যন্ত শুকিয়ে গেছে এবং মাঠের সমস্ত ফসল পুড়ে গেছে। আপনি নীলনদ পানিতে পূর্ণ করে আমাদের ফসল রক্ষা করে দেবার ব্যবস্থা করে দিন। এবার ফেরাউন বড় বিপদে পড়লেন! কিন্তু চতুরতার সঙ্গে তাদের আশ্বাস দিয়ে বললেনঃ এর আর এমন বেশি কথা কি! ...
- Get link
- X
- Other Apps
*। আল্লাহ হেদায়েত দেননি,তাই গুনাহ করি এক ভাই বললেন, কুরআনে আছে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেন, যাকে ইচ্ছা বিপথগামী করেন। যেহেতু আল্লাহই হেদায়েত দিচ্ছেন না, তখন আমার কী দোষ? . আমি তাকে বললাম, মুসা (আঃ) যখন ফেরাউনের ধাওয়া খেয়ে লোহিত সাগরের তীরে পৌঁছালেন, সেই সময়ের কথা চিন্তা করুন, সামনে সাগর পিছনে ফেরাউনের বাহিনী। মূসা (আঃ) সঙ্গী-সাথীরা ফেরাউনের বাহিনীকে দেখে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে বলাবলি করতে লাগল, "আমরা তো এবার নিশ্চিত ধরা পড়ে গেলাম"। এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে মহান আল্লাহ চোখের পলকে সমুদ্রে রাস্তা করে দিতে পারতেন। আল্লাহ "কুন" বললেই তো সব হয়ে যায়। তিঁনি "কুন" বললেই সমুদ্রের পানি ভাগ হয়ে রাস্তা তৈরি হয়ে যেত। কিন্তু মহাজ্ঞানী আল্লাহ সেটা করলেন না। আল্লাহ তখন মূসাকে (আঃ) তার হাতের লাঠি দিয়ে সমুদ্রে আঘাত করতে বললেন, কিন্তু কেন? . এর কারণ হল, মহান আল্লাহ চান, মানুষ তাঁর সাহায্য পাওয়ার জন্য কিছু করুক! তাই লাঠি মারার কাজটা মানুষকেই করতে হবে, শুরুটা আপনাকেই করতে হবে। লাঠি আপনাকেই মারতে হবে, তবেইনা অন্ধকার ফুঁড়ে আলো বের হবে, গভীর সমুদ্রে রাস্তা তৈরী হবে। হাত গুটিয়ে ...