এক বিত্তবান আলেম ছিলেন । তিনি একদিন ক্লাসে বসে হাদীস পড়াচ্ছেন । এমন সময় খবর আসলো , ' আপনার সব কয়টি জাহাজ মাল সহ সমুদ্রে ডুবে গেছে । এই খবর শোনার পর তিনি নীচের দিকে মাথা নুইয়ে কিছুক্ষণ চিন্তা করলেন । তারপর বললেন , ' আলহামদুলিল্লাহ্ ! ' তারপর আবার সবক পড়াতে লাগলেন । এর কিছুক্ষণ পর আবার খবর আসলো , ' আগের খবরটি ভুল । জাহাজগুলি আপনার ছিল না । আপনার জাহাজ ভাসমান অবস্থায় গন্তব্যে পৌছে গেছে । এই খবর শোনার পর তিনি মাথা নোয়ালেন এবং কিছুক্ষণ চিন্তা করলেন । তারপর বললেন , আলহামদুলিল্লাহ্ ! ' ছাত্রগণ আরজ করলো , “ হুযূর , হারানো জাহাজ ফিরে পেয়ে শুকরানা স্বরূপ ' আলহামদুলিল্লাহ্ ' বলেছেন এটা বুঝতে পারলাম । কিন্তু জাহাজ হারানোর খবর শুনে ' ইন্না লিল্লাহ্ ' না বলে ' আলহামদু লিল্লাহ্ ' বলেছিলেন কেন সেটা বুঝতে পারলাম না । " তিনি বললেন , “ জাহাজ ডোবার খবর শুনে মুরাকাবা করে মনকে পরীক্ষা করে দেখলাম , সেখানে কোন দুঃখ আছর করেছে কিনা । দেখলাম জাহাজ হারানোর কোন দুঃখ সেখানে উপস্থিত হয়নি । তখন ' আলহামদুলিল্লাহ্ ' বলে আল্লাহ্র শুকুর করলাম । তারপর জাহাজ ফিরে পেয়ে মুরাকাবা করে মনকে দেখলাম সেখানে কোন খুশী উপস্থিত হয়েছে কিনা । দেখলাম সেখানে কোন আনন্দ নাই । মন ঠিক আছে । তাই ' আলহামদুলিল্লাহ্ ' বলে আল্লাহর শুকুর করলাম । অর্থাৎ সম্পদ আমার নয় এই সত্যটি মন বুঝতে পেরেছে । সকল সম্পদ আল্লাহ্র । তাঁর জিনিষ তিনি নিয়ে গেলেও দুঃখ নাই , আবার আমার কাছে আমানত রাখলেও কোন খুশী নাই । " সাঁপের মন্ত্র এই সত্যটি যারা বুঝতে পারে তাদের কাছে সম্পদ রাখা দোষের নয় । সম্পদ হলো সাঁপ । এই সাঁপকে ধরতে হলে মন্ত্র জানতে হয় । দীনদার লোকেরা সেই মন্ত্র জানেন । তাই টাকা - পয়সা তাদের কোন ক্ষতি করতে পারে না । আর যারা সেই মন্ত্র না জেনে সম্পদ আহরণ করতে যায় তাদের জন্যে সম্পদ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায় । এই সাঁপ তাদেরকে ছোবল দেয় । তাদের ঈমান ও আমল বরবাদ করে দেয় । ওয়াজ ও খুতবা -১০২
সালামের কত মূল্য তাদের কাছে ছিল: — حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، أَنَّ الطُّفَيْلَ بْنَ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ أَخْبَرَهُ، أَنَّهُ كَانَ يَأْتِي عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ فَيَغْدُو مَعَهُ إِلَى السُّوقِ، قَالَ: فَإِذَا غَدَوْنَا إِلَى السُّوقِ لَمْ يَمُرَّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ عَلَى سَقَّاطٍ، وَلَا صَاحِبِ بَيْعَةٍ، وَلَا مِسْكِينٍ، وَلَا أَحَدٍ إِلَّا يُسَلِّمُ عَلَيْهِ. قَالَ الطُّفَيْلُ: فَجِئْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَوْمًا، فَاسْتَتْبَعَنِي إِلَى السُّوقِ، فَقُلْتُ: مَا تَصْنَعُ بِالسُّوقِ وَأَنْتَ لَا تَقِفُ عَلَى الْبَيْعِ، وَلَا تَسْأَلُ عَنِ السِّلَعِ، وَلَا تَسُومُ بِهَا، وَلَا تَجْلِسُ فِي مَجَالِسِ السُّوقِ؟ فَاجْلِسْ بِنَا هَاهُنَا نَتَحَدَّثُ، فَقَالَ لِي عَبْدُ اللَّهِ: يَا أَبَا بَطْنٍ، وَكَانَ الطُّفَيْلُ ذَا بَطْنٍ، إِنَّمَا نَغْدُو مِنْ أَجْلِ السَّلَامِ، نُسَلِّمُ عَلَى مَنْ لَقِيَنَا তুফাইল ইবনে উবাই ইবনে কাব (র) তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ)-এর নিকট যাতায়াত করতেন এবং তার ...
Comments
Post a Comment